জানলে আপনিই লজ্জা পাবেন ছেলেদের দেখলে মেয়েরা ওড়না ঠিক করে কেন

(মাথায় ওড়না ঠিক করা)

কোনো মেয়ের গলায় ওড়না আছে এবং কোনো পুরুষ বা ছেলে সামনে আসলে সেটা মাথায় তুলে দিচ্ছে বা ঠিকভাবে পরে নিচ্ছে।

এটার কারণ মা বাবার শেখানো পারিবারিক মূল্যবোধ।

মায়েরা খুব ছোটোবেলা থেকেই মেয়েদের সব ব্যাপারে বিভিন্ন আচরণের ধরণ বুঝিয়ে দিতে বা শেখাতে থাকেন যেগুলো সাধারণত সমাজে গ্রহণযোগ্য। এদিক থেকে একটা মেয়ে এই পরিবেশে বেড়ে উঠার কারণে তার মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই মাথায় ওড়না ঠিক করে দেয়ার অভ্যেস গড়ে ওঠতে পারে।

ধরণ দুইঃ (বুকে ওড়না ঠিক করা )

নারীদেহের যে কয়েকটি অঙ্গ বাহ্যিকভাবে খুব তাড়াতাড়ি কারো নজরে আসে ত্রা মধ্যে স্তন একটি অঙ্গ। ধরুন কোনো মেয়ের গলায় ওড়না আছে।

গলায় ওড়না থাকাবস্থায় একটা পুরুষ/ছেলে নজরে পড়লেই মেয়েরা বুকের অংশের ওড়নাটুকু ঠিকঠাক করে নেয় যাতে স্তনের দিকে দৃষ্টি না পড়ে যায়। এইভাবে ওড়না ঠিক করে নেয়ার কাজটি তারা খুব তড়িঘড়ি করে শেষ করে রাখে।

এক্ষেত্রেও হয়তো পারিবারিক শিক্ষার প্রভাবটা থাকে যে শিক্ষাটা ছোটোকাল থেকে একটা মেয়ে তার মায়ের বা নিকটাত্মীয় কোনো মহিলার কাছে পায়।

মেয়েরা ছেলেদের দেখলেই বার বার ওড়না ঠিক করে তা ঠিক। তবে কেন করে তা বোঝা বড়ই মুশকিল। কারণ মেয়েদের মন বোঝার সাধ্য কারো নেই। তবে ধারণা, সব ছেলেদের দেখেই মেয়েরা এমনটা করে না।

যে ছেলে দেখতে ভালো, হ্যান্ডসাম, শুধুমাত্র তার সামনেই এমনটা করে। মেয়েরা তার সামনের হ্যান্ডসাম ছেলেটিকে দেখে আকর্ষণ বোধ করে। ভাবে ওই ছেলেটির সামনে সেই একমাত্র সুন্দরী এবং ধারণা করে নেয় যে ছেলেটি তাকে কোনো না কোনোভাবে দেখছে। তখন মেয়েটি মনের মধ্যে একটা ভালো লাগার উত্তেজনা অনুভব করে, অর্থাৎ অস্থিরতা অনুভব করে।

যার কারণে মেয়েটি কি করবে বুঝতে না পেরে বা অস্থিরতা সামাল দিতেই বার বার ওড়না ঠিক করে।

(মাথায় ওড়না ঠিক করা)

কোনো মেয়ের গলায় ওড়না আছে এবং কোনো পুরুষ বা ছেলে সামনে আসলে সেটা মাথায় তুলে দিচ্ছে বা ঠিকভাবে পরে নিচ্ছে।

এটার কারণ মা বাবার শেখানো পারিবারিক মূল্যবোধ।

মায়েরা খুব ছোটোবেলা থেকেই মেয়েদের সব ব্যাপারে বিভিন্ন আচরণের ধরণ বুঝিয়ে দিতে বা শেখাতে থাকেন যেগুলো সাধারণত সমাজে গ্রহণযোগ্য। এদিক থেকে একটা মেয়ে এই পরিবেশে বেড়ে উঠার কারণে তার মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই মাথায় ওড়না ঠিক করে দেয়ার অভ্যেস গড়ে ওঠতে পারে।

ধরণ দুইঃ (বুকে ওড়না ঠিক করা )

নারীদেহের যে কয়েকটি অঙ্গ বাহ্যিকভাবে খুব তাড়াতাড়ি কারো নজরে আসে ত্রা মধ্যে স্তন একটি অঙ্গ। ধরুন কোনো মেয়ের গলায় ওড়না আছে।

গলায় ওড়না থাকাবস্থায় একটা পুরুষ/ছেলে নজরে পড়লেই মেয়েরা বুকের অংশের ওড়নাটুকু ঠিকঠাক করে নেয় যাতে স্তনের দিকে দৃষ্টি না পড়ে যায়। এইভাবে ওড়না ঠিক করে নেয়ার কাজটি তারা খুব তড়িঘড়ি করে শেষ করে রাখে।

এক্ষেত্রেও হয়তো পারিবারিক শিক্ষার প্রভাবটা থাকে যে শিক্ষাটা ছোটোকাল থেকে একটা মেয়ে তার মায়ের বা নিকটাত্মীয় কোনো মহিলার কাছে পায়।

মেয়েরা ছেলেদের দেখলেই বার বার ওড়না ঠিক করে তা ঠিক। তবে কেন করে তা বোঝা বড়ই মুশকিল। কারণ মেয়েদের মন বোঝার সাধ্য কারো নেই। তবে ধারণা, সব ছেলেদের দেখেই মেয়েরা এমনটা করে না।

যে ছেলে দেখতে ভালো, হ্যান্ডসাম, শুধুমাত্র তার সামনেই এমনটা করে। মেয়েরা তার সামনের হ্যান্ডসাম ছেলেটিকে দেখে আকর্ষণ বোধ করে। ভাবে ওই ছেলেটির সামনে সেই একমাত্র সুন্দরী এবং ধারণা করে নেয় যে ছেলেটি তাকে কোনো না কোনোভাবে দেখছে। তখন মেয়েটি মনের মধ্যে একটা ভালো লাগার উত্তেজনা অনুভব করে, অর্থাৎ অস্থিরতা অনুভব করে।

যার কারণে মেয়েটি কি করবে বুঝতে না পেরে বা অস্থিরতা সামাল দিতেই বার বার ওড়না ঠিক করে।

(মাথায় ওড়না ঠিক করা)

কোনো মেয়ের গলায় ওড়না আছে এবং কোনো পুরুষ বা ছেলে সামনে আসলে সেটা মাথায় তুলে দিচ্ছে বা ঠিকভাবে পরে নিচ্ছে।

এটার কারণ মা বাবার শেখানো পারিবারিক মূল্যবোধ।

মায়েরা খুব ছোটোবেলা থেকেই মেয়েদের সব ব্যাপারে বিভিন্ন আচরণের ধরণ বুঝিয়ে দিতে বা শেখাতে থাকেন যেগুলো সাধারণত সমাজে গ্রহণযোগ্য। এদিক থেকে একটা মেয়ে এই পরিবেশে বেড়ে উঠার কারণে তার মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই মাথায় ওড়না ঠিক করে দেয়ার অভ্যেস গড়ে ওঠতে পারে।

ধরণ দুইঃ (বুকে ওড়না ঠিক করা )

নারীদেহের যে কয়েকটি অঙ্গ বাহ্যিকভাবে খুব তাড়াতাড়ি কারো নজরে আসে ত্রা মধ্যে স্তন একটি অঙ্গ। ধরুন কোনো মেয়ের গলায় ওড়না আছে।

গলায় ওড়না থাকাবস্থায় একটা পুরুষ/ছেলে নজরে পড়লেই মেয়েরা বুকের অংশের ওড়নাটুকু ঠিকঠাক করে নেয় যাতে স্তনের দিকে দৃষ্টি না পড়ে যায়। এইভাবে ওড়না ঠিক করে নেয়ার কাজটি তারা খুব তড়িঘড়ি করে শেষ করে রাখে।

এক্ষেত্রেও হয়তো পারিবারিক শিক্ষার প্রভাবটা থাকে যে শিক্ষাটা ছোটোকাল থেকে একটা মেয়ে তার মায়ের বা নিকটাত্মীয় কোনো মহিলার কাছে পায়।

মেয়েরা ছেলেদের দেখলেই বার বার ওড়না ঠিক করে তা ঠিক। তবে কেন করে তা বোঝা বড়ই মুশকিল। কারণ মেয়েদের মন বোঝার সাধ্য কারো নেই। তবে ধারণা, সব ছেলেদের দেখেই মেয়েরা এমনটা করে না।

যে ছেলে দেখতে ভালো, হ্যান্ডসাম, শুধুমাত্র তার সামনেই এমনটা করে। মেয়েরা তার সামনের হ্যান্ডসাম ছেলেটিকে দেখে আকর্ষণ বোধ করে। ভাবে ওই ছেলেটির সামনে সেই একমাত্র সুন্দরী এবং ধারণা করে নেয় যে ছেলেটি তাকে কোনো না কোনোভাবে দেখছে। তখন মেয়েটি মনের মধ্যে একটা ভালো লাগার উত্তেজনা অনুভব করে, অর্থাৎ অস্থিরতা অনুভব করে।

যার কারণে মেয়েটি কি করবে বুঝতে না পেরে বা অস্থিরতা সামাল দিতেই বার বার ওড়না ঠিক করে।

(মাথায় ওড়না ঠিক করা)

কোনো মেয়ের গলায় ওড়না আছে এবং কোনো পুরুষ বা ছেলে সামনে আসলে সেটা মাথায় তুলে দিচ্ছে বা ঠিকভাবে পরে নিচ্ছে।

এটার কারণ মা বাবার শেখানো পারিবারিক মূল্যবোধ।

মায়েরা খুব ছোটোবেলা থেকেই মেয়েদের সব ব্যাপারে বিভিন্ন আচরণের ধরণ বুঝিয়ে দিতে বা শেখাতে থাকেন যেগুলো সাধারণত সমাজে গ্রহণযোগ্য। এদিক থেকে একটা মেয়ে এই পরিবেশে বেড়ে উঠার কারণে তার মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই মাথায় ওড়না ঠিক করে দেয়ার অভ্যেস গড়ে ওঠতে পারে।

ধরণ দুইঃ (বুকে ওড়না ঠিক করা )

নারীদেহের যে কয়েকটি অঙ্গ বাহ্যিকভাবে খুব তাড়াতাড়ি কারো নজরে আসে ত্রা মধ্যে স্তন একটি অঙ্গ। ধরুন কোনো মেয়ের গলায় ওড়না আছে।

গলায় ওড়না থাকাবস্থায় একটা পুরুষ/ছেলে নজরে পড়লেই মেয়েরা বুকের অংশের ওড়নাটুকু ঠিকঠাক করে নেয় যাতে স্তনের দিকে দৃষ্টি না পড়ে যায়। এইভাবে ওড়না ঠিক করে নেয়ার কাজটি তারা খুব তড়িঘড়ি করে শেষ করে রাখে।

এক্ষেত্রেও হয়তো পারিবারিক শিক্ষার প্রভাবটা থাকে যে শিক্ষাটা ছোটোকাল থেকে একটা মেয়ে তার মায়ের বা নিকটাত্মীয় কোনো মহিলার কাছে পায়।

মেয়েরা ছেলেদের দেখলেই বার বার ওড়না ঠিক করে তা ঠিক। তবে কেন করে তা বোঝা বড়ই মুশকিল। কারণ মেয়েদের মন বোঝার সাধ্য কারো নেই। তবে ধারণা, সব ছেলেদের দেখেই মেয়েরা এমনটা করে না।

যে ছেলে দেখতে ভালো, হ্যান্ডসাম, শুধুমাত্র তার সামনেই এমনটা করে। মেয়েরা তার সামনের হ্যান্ডসাম ছেলেটিকে দেখে আকর্ষণ বোধ করে। ভাবে ওই ছেলেটির সামনে সেই একমাত্র সুন্দরী এবং ধারণা করে নেয় যে ছেলেটি তাকে কোনো না কোনোভাবে দেখছে। তখন মেয়েটি মনের মধ্যে একটা ভালো লাগার উত্তেজনা অনুভব করে, অর্থাৎ অস্থিরতা অনুভব করে।

যার কারণে মেয়েটি কি করবে বুঝতে না পেরে বা অস্থিরতা সামাল দিতেই বার বার ওড়না ঠিক করে।

(মাথায় ওড়না ঠিক করা)

কোনো মেয়ের গলায় ওড়না আছে এবং কোনো পুরুষ বা ছেলে সামনে আসলে সেটা মাথায় তুলে দিচ্ছে বা ঠিকভাবে পরে নিচ্ছে।

এটার কারণ মা বাবার শেখানো পারিবারিক মূল্যবোধ।

মায়েরা খুব ছোটোবেলা থেকেই মেয়েদের সব ব্যাপারে বিভিন্ন আচরণের ধরণ বুঝিয়ে দিতে বা শেখাতে থাকেন যেগুলো সাধারণত সমাজে গ্রহণযোগ্য। এদিক থেকে একটা মেয়ে এই পরিবেশে বেড়ে উঠার কারণে তার মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই মাথায় ওড়না ঠিক করে দেয়ার অভ্যেস গড়ে ওঠতে পারে।

ধরণ দুইঃ (বুকে ওড়না ঠিক করা )

নারীদেহের যে কয়েকটি অঙ্গ বাহ্যিকভাবে খুব তাড়াতাড়ি কারো নজরে আসে ত্রা মধ্যে স্তন একটি অঙ্গ। ধরুন কোনো মেয়ের গলায় ওড়না আছে।

গলায় ওড়না থাকাবস্থায় একটা পুরুষ/ছেলে নজরে পড়লেই মেয়েরা বুকের অংশের ওড়নাটুকু ঠিকঠাক করে নেয় যাতে স্তনের দিকে দৃষ্টি না পড়ে যায়। এইভাবে ওড়না ঠিক করে নেয়ার কাজটি তারা খুব তড়িঘড়ি করে শেষ করে রাখে।

এক্ষেত্রেও হয়তো পারিবারিক শিক্ষার প্রভাবটা থাকে যে শিক্ষাটা ছোটোকাল থেকে একটা মেয়ে তার মায়ের বা নিকটাত্মীয় কোনো মহিলার কাছে পায়।

মেয়েরা ছেলেদের দেখলেই বার বার ওড়না ঠিক করে তা ঠিক। তবে কেন করে তা বোঝা বড়ই মুশকিল। কারণ মেয়েদের মন বোঝার সাধ্য কারো নেই। তবে ধারণা, সব ছেলেদের দেখেই মেয়েরা এমনটা করে না।

যে ছেলে দেখতে ভালো, হ্যান্ডসাম, শুধুমাত্র তার সামনেই এমনটা করে। মেয়েরা তার সামনের হ্যান্ডসাম ছেলেটিকে দেখে আকর্ষণ বোধ করে। ভাবে ওই ছেলেটির সামনে সেই একমাত্র সুন্দরী এবং ধারণা করে নেয় যে ছেলেটি তাকে কোনো না কোনোভাবে দেখছে। তখন মেয়েটি মনের মধ্যে একটা ভালো লাগার উত্তেজনা অনুভব করে, অর্থাৎ অস্থিরতা অনুভব করে।

যার কারণে মেয়েটি কি করবে বুঝতে না পেরে বা অস্থিরতা সামাল দিতেই বার বার ওড়না ঠিক করে।

(মাথায় ওড়না ঠিক করা)

কোনো মেয়ের গলায় ওড়না আছে এবং কোনো পুরুষ বা ছেলে সামনে আসলে সেটা মাথায় তুলে দিচ্ছে বা ঠিকভাবে পরে নিচ্ছে।

এটার কারণ মা বাবার শেখানো পারিবারিক মূল্যবোধ।

মায়েরা খুব ছোটোবেলা থেকেই মেয়েদের সব ব্যাপারে বিভিন্ন আচরণের ধরণ বুঝিয়ে দিতে বা শেখাতে থাকেন যেগুলো সাধারণত সমাজে গ্রহণযোগ্য। এদিক থেকে একটা মেয়ে এই পরিবেশে বেড়ে উঠার কারণে তার মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই মাথায় ওড়না ঠিক করে দেয়ার অভ্যেস গড়ে ওঠতে পারে।

ধরণ দুইঃ (বুকে ওড়না ঠিক করা )

নারীদেহের যে কয়েকটি অঙ্গ বাহ্যিকভাবে খুব তাড়াতাড়ি কারো নজরে আসে ত্রা মধ্যে স্তন একটি অঙ্গ। ধরুন কোনো মেয়ের গলায় ওড়না আছে।

গলায় ওড়না থাকাবস্থায় একটা পুরুষ/ছেলে নজরে পড়লেই মেয়েরা বুকের অংশের ওড়নাটুকু ঠিকঠাক করে নেয় যাতে স্তনের দিকে দৃষ্টি না পড়ে যায়। এইভাবে ওড়না ঠিক করে নেয়ার কাজটি তারা খুব তড়িঘড়ি করে শেষ করে রাখে।

এক্ষেত্রেও হয়তো পারিবারিক শিক্ষার প্রভাবটা থাকে যে শিক্ষাটা ছোটোকাল থেকে একটা মেয়ে তার মায়ের বা নিকটাত্মীয় কোনো মহিলার কাছে পায়।

মেয়েরা ছেলেদের দেখলেই বার বার ওড়না ঠিক করে তা ঠিক। তবে কেন করে তা বোঝা বড়ই মুশকিল। কারণ মেয়েদের মন বোঝার সাধ্য কারো নেই। তবে ধারণা, সব ছেলেদের দেখেই মেয়েরা এমনটা করে না।

যে ছেলে দেখতে ভালো, হ্যান্ডসাম, শুধুমাত্র তার সামনেই এমনটা করে। মেয়েরা তার সামনের হ্যান্ডসাম ছেলেটিকে দেখে আকর্ষণ বোধ করে। ভাবে ওই ছেলেটির সামনে সেই একমাত্র সুন্দরী এবং ধারণা করে নেয় যে ছেলেটি তাকে কোনো না কোনোভাবে দেখছে। তখন মেয়েটি মনের মধ্যে একটা ভালো লাগার উত্তেজনা অনুভব করে, অর্থাৎ অস্থিরতা অনুভব করে।

যার কারণে মেয়েটি কি করবে বুঝতে না পেরে বা অস্থিরতা সামাল দিতেই বার বার ওড়না ঠিক করে।

Related Post

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *